কাঁচা আমের জুসের গুণাবলী জেনে নিন।

কাঁচা আম,জুস,আমের জুস,banglalabs

হ্যালো বন্ধুরা,আমি শান্ত কেমন আছো?আশা করি ভালো আছো।

আমরা সবাই এই কাঁচা আম খেতে পছন্দ করি।কাঁচা আম মচির দিয়ে খেতে অসাধারণ লাগে।আবার কাঁচা আমদের আচার খেতে ভালো লাগে।কাঁচা আমের কথা ভাবলেই মুখে জল এসে যায়।তোমরা কি জানো কাঁচা আমের জুস হয়?আর এই জুস এর উপকারিতা কি?অনেকই জানো আবার অনেকই জানো না তাই না?এই জন্য আজ আমি  তোমাদের কাঁচা আমের জুসের গুণাবলী সম্পর্কে বলবো।

গরমের ক্লান্তিভর দিনে শরীরে প্রশান্তি এনে দিতে পারে কাঁচা আমের এক গ্লাস জুস। পুষ্টিবিদরা বলেন, কাচা আমের জুসে রয়েছে পটাশিয়াম যা প্রচন্ড গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। কাচা আমের জুসের গুণাবলি গুলো যেনে নিন:

শরীরে তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে:

কাঁচা আমের রসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটামিয়াম। যা আমাদের শরীরের তাপমাত্র স্বাভাবিক রাখে। গরম কালে দূপুরের খাবারের পরে শারীরিক দূর্বলতার ফলে ঝিমুনি ভাব দেখা দেয়, কাঁচা আমের জুস খেলে শরীরে শক্তি ফিরে আসে।

পেটের গোলমাল দূর করে:

প্রচন্ড গরমে পেটের ভিতরে গোলমাল দেখা দেয়। কাঁচা আমের জুস আদর্শ ঔষধ হিসাবে কাজ করে। বদহজম দূর করে, খাদ্য হজমে সহায়তা করে। পেট পরিষ্কার রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

মাড়ির রক্ত পড়া ও স্কার্ভি রোগ নিরাময় করে:

কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন “সি”। যা স্কাভি ও মাড়ির রক্ত পড়া দূর করে। দাঁতের ক্ষয় দূর করে, দুর্গন্ধ দূর করে ও দাঁত চকচক করতে সাহায্য করে।

শরীরে লবনের শল্পতা দূর করে:

গরমে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে ঘামের সাথে “সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ” বের হয়ে যায়। কাঁচা আমের জুস এই ঘাটতি দূর করে। এছাড়া শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

হার্টের জন্য উপকারি:

কাঁচা আমের রস হার্টের জন্য খুবই উপকারি। এই রস বাজে কোলস্টেরলের স্তরকে কমাতে সাহায্য করে। এই রসে রয়েছে “নিয়াসিন”, যা হার্টের ঝুকি কমায়।

আজ এখানেই শেষ করলাম।আমাদের লেখা কেমন হল ভালো নাকি খারাপ বা কোন উপদেশ বা অভিযোগ থাকলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।ধন্যবাদ।

 

Facebook Comments