নিলেয়ের ভালবাসার।।

ভালবাসা,

নিলেয়ের হাতে একটা সিগারেট জ্বলছে।

সে ছাদে বসে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে।

যে নিলয় সিগারেটের ঘ্রানে বমি করতো সে নিলয় প্রতি মিনিটে ২টা করে খায়।

যে নিলয় ক্লাসের ফার্স্টবয় ছিল।ওর বাবা-মাকে স্কুল,কলেজের স্যাররা ডেকে নিয়ে নিলয়ের প্রশংসা করতো আজ সে ফেল করে একই ক্লাসে ২বছর ধরে পরে রয়েছে।ওকে দেখে ওর বাবা,মা চোখের জল ফেলে,স্যাররা আপসোস করে।

কেন এত পরিবর্তন??কেনো এত অধঃপতন???শুনতে চাইলে ওর পিছনের সময়ে যেতে হবে।…..

নিলয় ক্লাসের ফাস্টবয়।হ্যান্ডসাম ও।মেয়েরা ওর দিকে তাকালে তাকিয়েই থাকে।সে এইগুলা দেখে মজা পায়।কিন্তু কোন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করে নাই।কিছু ছেলে বন্ধু আছে তাও পড়ালেখা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।কেউর সাথে তেমন ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নাই।সে শুধু পড়াশুনা আর কম্পিউটার কে বুঝে চিনে।পড়তে হবে গেইম খেলতে হবে।এইটাই তার ডেইলি রুটিন।এভাবে তার দিন কাল যাচ্ছিল।ওর এই সুখের দিন গুলাকে নষ্ট করার জন্য আাসলো রিয়া।রিয়ার আসাটাও বেশ মজাদার ছিলো।

একদিন নিলয় কলেজ থেকে হেঁটে বাসায় যাচ্ছিলো।হঠাৎ পেছন থেকে কি যেন ধাক্কা দিলো।সে মাটিতে লুকিয়ে পড়েছে।ব্যাথায় কুরিয়ে উঠলো।চোখ বন্ধ করে ব্যথা সহ্য করার চেষ্টা করছে।একটু পর ওর হাতে কে যেন ধরে উঠানোর চেষ্টা করছে কিন্তু উঠাতে পারছে না।নরম একটা হাত।সে চোখ খুলে দেখে একটা বেশ সুন্দরী মেয়ে ওর দিকে ঝুকে ওর হাত ধরে ওঠানোর চেষ্টা করছে।মেয়েটার চুল অনেক বড়।নিলয়ের মুখে এসে পড়ছে।

নিলয় এক সময় মেয়েটার হাত থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কিন্তু পায়ে খুব ব্যথা পেয়েছে ফলে কাত হয়ে পড়ে যেতে থাকে।মেয়েটা ওকে টান দিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করে।তারপর মেয়েটা ওর কাছে ক্ষমা চায় বলে বাসটা ঘেঁসে যাচ্ছিলো তাই  সাইকেলটাকে কন্ট্রোল করতে পারে নি ওর গায়ে লেগে যায়।

নিলয় লাজুক স্বাভাবের ছেলে।একটা মেয়ে ওর হাতে ধরে রেখেছে তা ও খুব সুন্দরী।লজ্জায় সে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে।

মেয়ে টা পট পট করে কি যেনো বলেই যাচ্ছে।কিভাবে,কেন সাইকেল টা ওর গায়ে লাগলো।কার দোষ? রাস্তার দোষ থেকে সরকারের উপর দোষ গিয়ে পড়লো।নিলয়ের সামনে কেউ এত কথা বললে ওর বিরক্তি লাগে কিন্তু মেয়েটার কথায় কেন জানি বিরক্তি লাগছে না উল্টা ভালো লাগছে।ভয়েসটা খুব মিষ্টি লাগছে।সে মনে মনে ভাবছে মেয়েটার দিকে একটু তাকাবে কিনা।একটু চোখ উঠায় আবার লজ্জায় নামিয়ে নেয়।কিছুখন পর মনে সাহস নিয়ে মেয়েটার দিকে তাকায়।তাকিয়ে থ হয়ে যায়।ওর হৃদয় ৩০০কিলোবিট হারে রক্ত পাম্প করছে।মনে হচ্ছে ওর চোখের সামনে একটা পরী দাড়িয়ে আছে।মেয়েটার মুখে ভয়ের ছাপ।খুব গামাচ্ছে।মনে হচ্ছে নিলয়কে নিয়ে টেনশন এ আছে।ওর কিছু হয়ে গেলো কিনা।নিলয় এক মনে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।ওর চারপাশ যেন স্টপ হয়ে আছে।

হঠাৎ রিয়ার চোখে চোখ পড়ে।নিলয়ে হৃদয় আবার থেমে যায়।এত সুন্দর চোখ সে কোনদিনও দেখেনি।

মেয়েটা হঠাৎ বক বক বন্ধ করে ওর দিকে তাকিয়ে বললো আমি রিয়া।আপনি?

নিলয় কাঁপা কাঁপা গলায় বললো আমি নিলয়।

রিয়া বললো,আমি হাজীগন্জ মডেল কলেজে পড়ি।ক্লাস ১১তে।

আমি এই কলেজেই ১২ তে পড়ি।নিলয় বললো।

দুইজন এই খুশি একই কলেজে পড়ে বলে কিন্তু কেন নিজেরাই জানতে পারলো না।

হঠাৎ রিয়ার মনে পড়লো নিলয় না ব্যথা পেয়েছে।কথায় কথায় দুইজনেই ভুলে গেছিলো ব্যাপারটা।

রিয়া নিলয় কে বললো, চলেন আপনাকে হসপিটাল এ নিয়ে যাই।চিকিৎসা করিয়ে বাসায় দিয়ে আসবো।

নিলয় বললো, চিকিৎসার দরকার নাই।এমনি সেরে যাবে।আপনি বাসায় চলে যান।আমি একাই বাসায় যেতে পারতো।

রিয়া বললো,এইটা কি করে হয়।আপনি দাঁড়াতে ই পাচ্ছেন না।হেঁটে বাসায় যাবেন কি করে?চলেন আমিও আপনার বাসায় যাবো।নিলয় আমতা আমতা করে রাজি হয়।

ওরা সাইকেলটা নিয়ে নিলেয়র বাসার পথে রওনা হয়।পথে অনেক কথা হয়।পরিচয় হয়।ভাবের আদানপ্রদান হয়।মাত্র কয়েক মিনিটে ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়।দুই জনে একই কলেজে পড়ে সাইন্সে ও।ফলে ওদের সম্পর্ক টা আরও ঘনিষ্ঠ হয়।রিয়া ওকে ঘরে পৌছে দেয়।ওর মার সাথে কথা বলে।আসার সময় নিলয়ের মোবাইল নাম্বারটা নিয়ে আসে স্বাস্থ্যের খবর নিবে বলে।

আসল কথা হচ্ছে নিলয়ের মত হ্যান্ডসাম,লাজুক ছেলেকে দেখে নিলা কেনও জানি একটু দুর্বল হয়ে যায়।তাই খবর নেওয়ার বাহানায় নাম্বার নিয়ে নিলো।ওরা একই কলোনিতে থাকে।

২দিন পর রিয়া নিলয়কে কল দিলো।কেমন আছে জিগ্গাসা করলো।নিলয় এই প্রথম কোন মেয়ের সাথে কথা বলছে তাই কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলো ভালো আছে।তারপর রিয়া এক এক করে পড়ালেখা,খেলাধুলা,কলেজের ব্যাপার নিয়ে কথা বলা শুরু করলো।

প্রতিদিন ই কল দেয়।নিলয় এখন একটু সাহসী হয়েছে।এখন ভয় বা লজ্জা পায় না।বেশ মজা করেই কথা বলে।

একদিন রিয়া ওকে বললো চলেন, কোথাও ঘুরতে যাই।নিলয় বললো কই যাবে?

নদীর পাড়ে।কাশফুল দেখবো।নৌকায় চরবো।

আমি তো সাঁতার পারি না।।।

হা হা হা।হি হি হি।এত্ত বড়ো একটা দামড়া ছেলে হয়ে সাঁতার জানে না???

😕 😕 না জানি না।

সমস্যা নাইকা।আমি সাঁতার জানি।পানিতে পড়লে কান ধরে টেনে নদীর পাড়ে নিয়ে আসবো।

ওওওও।।ওকে ।  😕

হুম।কবে যাবেন?

কাল চলো?

ওকে।প্রথম ঘুরতে যাওয়া।একটু ভালো জায়গায় গেলে সারা লাইপ মনে থাকবে।

হুম।।ওকে কাল ক্লাস শেষে কলেজের গেইটের সামনে দাঁড়াবো।দুইজনে রিক্সায় করে নদীর পাড়ে যাবো।

ওকে।আজ তাহলে রাখি।ভালো থাকবেন।

ওকে।

………………….

পরদিন প্লান মতই কাজ করলো রিক্সা করে দুজনে আইচ-ক্রিম খেতে খেতে নদীর পাড়ে গেলে।রিয়া কাশফুল দেখে আনন্দে চিৎকার করে উঠলো।সে নিলয়ের হাত ধরে খুশিতে নাচতে লাগলো।একবার এদিকে লাফাতে লাফাতে যায় আবার ওদিকে যায়।নিজে নিজে গুনগুন করে গান গেতে গেতে নাচ তে থাকে।নিলয় ওর কান্ড দেখে মনে মনে হাসতে থাকে আর বলে,পাগলি একটা।

নিলয় আর রিয়া অনেক্ষন ঘুরাঘুরি করে নৌকায় ছড়ে।একজন আারেক জন কে ভিজিয়ে দেয়।তারপর বাড়ি চলে আসে।

এভাবে ওদের দিন যায়।।।প্রতিদিন কলেজে দেখা হয়।ফুচকা,আইচক্রিম খায়।আবার বাড়ি চলে যায়।

একদিন রিয়া নিলয় কে ট্রেনলাইন এ যাবে বলে প্রস্তাব দেয়।নিলয় রাজি হয়।ওরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ট্রেনলাইন এ যায়।ঘাসের উপর বসে সবুজ মাঠ,নীল আকাশ দেখে।।

রিয়া হাঠাৎ নিলয়ের হাত ধরে বলে, নিলয় আমাকে এই সুন্দর সময় গুলা দেওয়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।নিলয় আমার চোখের দিকে তাকাও।নিলয় ওর চোখের দিকে তাকালো।ওর চোখ জ্বলজ্বল করছে।

নিলয় রিয়াকে এভাবে কথা বলতে দেখে নি।তুমি করে বলছে।তাও আবার বিনিত সুরে।

নিলয় ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বলে,তোমাকে ও ধন্যবাদ আমার সময় গুলাকে সুন্দর করে দেওয়ার জন্য।

রিয়া কিছু বলছে না।নিলেয়ের চোখে চোখ রেখে ওর দিকে ঝুঁকে পড়ছে।এক সময় নিলয় রিয়ার গরম নিশ্বাস নিজের নাকে ফিল করে।তারপর রিয়া চোখ বুজে নিলয়ের ঠোঁটে চুমু খায়।নিলয়ের সারা শরীরে কারেন্ট বয়ে যায়।সেও চুমুর প্রতি উ্ত্তর দেয়।

চুমু দেওয়া অবস্থায় রিয়া হঠাৎ উঠে দৌড় দেয়।নিলয় প্রথমে বুজতে পারে নি।চোখ বুজে ছিলো।বুজতে পেরে সেও ন

রিয়ার পেছনে দৌড় দেয়।দৌড়ে ওকে ধরে বলে রিয়া আমি তোমাকে ভালোবাসি। I love u…..

রিয়া একটু হেসে মজা করে বলে, আমার বয়ফ্রেন্ড আছে।নিলয়ের মুখ কালো হয়ে যায়।

রিয়া ওর গালে থাপ্পর দিয়ে বলে তুই ই তো আমার বয়ফ্রেন্ড।আমার কিস পেয়ে বুজলিনা যে তোকে আমি কত্ত ভলোবাসি।

নিলয় খুশিতে এত পাগল হয় যে ওর চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে।রিয়াও অশ্রু সিক্ত নয়নে বলে,নিলয় এই খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে,আকাশ,মাটিকে স্বাক্ষি রেখে বল আমাকে ছেড়ে কোথাও যাবি না।আমাকে কষ্ট দিবি না।মরে গেলেও ভালোবাসবি।।কথা দে।।

কথা দিলাম।শরীরে যতদিন প্রাণ থাকবে ততদিন এই মনে তুই থাকবি।রিয়া খুশিতে ওকে জরিয়ে ধরে।।।

এরপর যে যার বাড়ি চলে যায়।ওই দিনের পর থেকে ওদের মাঝে একটা পবিত্র সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।দিন যেতে যেতে সম্পর্ক টা গারো হতে হতে ওরা যেন এক হয়ে যায়।দুই শরীর এক মন।কিছু না বললে একজন আরপক জনের কষ্ট বুজতে পারে।।

নিলয়  HSC XM দিলো।বেশী ভালো রেজাল্ট হয়নি।অপর দিকে রিয়া ভালো রেজাল্ট নিয়ে 2nd year এ উঠলো।নিলয় রয়াকে ছেড়ে দূরে যেতে পারবে না বলে ভালো কোন কলেজে ভর্তি না হয়ে একই কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়।এটা নিয়া ওর মা,বাবা সাথে তর্ক করে।শুধু রিয়াকে দেখতে পাবে সময় দিতে পারবে বলে।ওরা কিছু পর পর ই নানা জায়গায় ঘুরতে যায়।রাতে ছাদে ওঠে চাঁদ দেখে।

খুব সুখেই দিন যাপন করে।।।

রিয়া সাইকেলে করে কলেজ যেতো।এটা তার সখ।একদিন সাইকেলে করে কলেজ থেকে বাড়ি যাচ্ছিলো।সাইকেলে করে গেলে নিলয় সাথে থাকে না।তাই সে একা যাচ্ছে।হঠাৎ বৃষ্টি পড়া শুরু হলো।মুশুলধারে বৃষ্টি পড়ছে।নিলা কোথাও দাঁড়াবার জায়গাও পাচ্ছে না আাবার নির্যন জায়গায় একা দাঁড়াতে ভয় পাচ্ছে।একা একটা মেয়ে কিভাবে এই বৃষ্টিতে দাঁড়াবে??কোথাও কেউ নাই।কেউ কিছু করলে??সে বৃষ্টির মাঝেই সাইকেল চালিয়ে বাড়ি যাবে সিন্ধান্ত নিলো।মজা ও হবে।বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে যাওয়া যাবে।

ক্লাসে নিলয় আনমনে রিয়াকে নিয়ে ভাবছে।ইদানিং সে পড়ায়,ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না।বৃষ্টি দেখে সে ঘড়ি দেখলি।এতখনে পাগলীটার ক্লাস শেষে আর সে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে বাড়ি যাবে।।সিউর।যদি জ্বর বা সর্দি হয় আচ্ছা মত বকে দিবে বলে ভেবে রেখেছে।বৃষ্টিতে ভিজার মজা বের করবে।।।

নিলা বৃষ্টির মাঝ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে।বৃষ্টির জন্য সামনে কিছু দেখতে পারছে না।চোখে বৃষ্টি পড়ার ফলে ঝপসা দেখাছে।ওর সামনে দিয়ে একটা বাস আসতেছে কিন্তু দেখতে পাচ্ছে না।অন্য দিকে নিলয়ের মন কেমন যেন করে উঠলো।।।বাসটি রিয়ার এত কাছে আসলো যে সে বাসটিকে দেখতে ফেলো কিন্তু কিছু করতে পারলো না।।ভিজা রাস্তা রক্তে লাল হয়ে গেলে।বাস ড্রাইভার কিছু হয় নি এমন ভান করে চলে গেলো।রেখে গেলে রিয়ার ছিন্নবিছিন্ন দেহ খানি আার চ্যাপটা হয়ে যাওয়া সাইকেলটা।।নিয়ল বিপদের আচ পেয়েছে কিন্তু বুজতে পারে নি।বাড়ি গিয়ে রিয়াকে কল করলো।ওর মা বললো রিয়া আসে নি।।আসলে কল দিতে বলবে।রিয়ার কলের অপেক্ষা করতে করতে নিলয় মোবাইল হাতে নিয়ে ঘুমি গেলো।উঠে দেখে রাত ১০টা বাজে। মোবাইল টিপে দেখে এখন ও কল আসে নি। সে কাল করে।রিয়া মা কল ধরে কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বলে সে এখন ও আসে নাই।

নিলয় লাফ দিয়ে খাট থেকে নেমে জামা পড়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।পাগলের মত হাঁটতে হাঁটতে কলেজের দিকে যায়।বৃষ্টিতে মুছে যাওয়া রিয়ার রক্তের উপর দিয়ে হেঁটে যায়।কিন্তু বুজতে পারে নি।যে রিয়া এখানে ওকে ছেড়ে,সবাইকে ছেড়ে চলে যায়।।।।

নিলয় সারা রাত রিয়াকে খুঁজে।না পেয়ে ঘরে এসে মায়ের পায়ে মাথা রেখে কান্না করতে করতে অঙ্গান হয়ে যায়।যখন চোখ খুলে তখন সকাল ১০টা ওর মা কান্না করতে করতে বলে রিয়া আর নেই।গতকাল ওকে কিছু লোক রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে।ওরা ওকে হাসপাতেলে নিয়ে যায় কিন্তু রিয়া রাস্তায় ই মারা গেছে।এই কথা শুনে নিলয় আবার ও মুর্চা যায়।তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।মানষিক ভাবে আঘাত পায়।ফলে ঙ্গান ফিরলে রিয়ার কথা মনে পড়ে আবার অঙ্গান হয়ে যায়।।।তাকে অনেক দিন হাসপাতালে রাখা হয়।এক সময় সুস্থ্যহয় কিন্তু স্বাভাবিক হয় না।একা একা থাকে।।কার সাথে যে কথা বলে আর সিগারেট খায়।।সে নাকি সিগারেট এর ধোঁয়ায় রিয়াকে দেখতে পায়।ওকে নাকি ডাকে।।বলে,চলো দুইজনে নদীর পাড়ে যাই।

…………….সমাপ্ত………………………

#SPK3

#sujan cb

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *