লেবুর উপকারিতা গুলো জেনে রাখুন-নিত্য দিনের কাজের লাগবে।

লেবু,banglalabs,জেনে নিন,লেবুর রস,লেবুর নানা উপকারিতা,

আমরা সবাই কম বেশি লেবু পছন্দ করি।যেকোন খাবারের সাথে আমরা লেবু খেয়ে থাকি।লেবুর সরবত বা সালাত বানিয়ে খাই।

লেবুর নানা উপকারিতা সম্পর্কে আমাদের সবারই  অনেক প্রকারের ধারনা আছে, যা বলে শেষ করা যাবে না। লেবুর কয়েকটি বিশেষ গুণ সমৃদ্ধ উপকারিতা নিচে তুলে ধরা হলো:

১.হজম বৃদ্ধিতে লেবুঃ
খাবার হজম করার ক্ষেত্রে লেবুর রস খুবই উপকারি। সাধারণত আমরা বিভিন্ন কারণে বদহজমে ভোগি, এক্ষেত্রে লেবুর রসের শরবত খুবই কার্যকরি ভূমিকা পালন করে।

২.শরীরের ক্লান্তি দূর করতেঃ
গরমের ক্লান্তি ভর দিনে লেবুর শরবত শরীরের ক্লান্তি দূর করে, সরিলের এনার্জি ফিরিয়ে আনে। এছাড়া লেবুর রসে রয়েছে ভিটামিন “সি” যা আমাদের স্কাভি রোগ নিরাময় করে।

৩.দাঁতের যত্নে লেবুঃ
ভালো পেষ্টের তুলনায় লেবুর রস অধিক কার্যকরি। লেবুর রসের সাথে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করে ব্যাবহার সত্যি খুবই কার্যকরি। এছাড়া দাঁতের যে কোনো সমস্যা এবং ব্যাথা উপসম করে।

৪.শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতেঃ
লেবুর রসের শরবত পান করলে পরিপাক নালীতে প্রবেশ করে শরীরের  শক্তি ফিরে আসে। গরম কালে ঠান্ডা পানির সাথে লেবুর শরবত মানসিক চাপ কমায় এবং মেজাজ ঠান্ডা রাখে।

৫.ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ
প্রতিদিন নিয়মিত লেবুর রস পানের ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রখে। অতিরিক্ত মেদভুড়ি দূর করে।

৬.কিডনির পাথরঃ
লেবুর রসে বিদ্যমান সাইট্রিক এসিড কিডনিতে ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’ নামক পাথরে বংশ বৃদ্ধি নাশ করে।

৭.চোখের যত্নেঃ
লেবুর রসের অনেক গুণ, এই রস দিয়ে চোখের সুস্থতা নিয়ন্ত্রর করা সম্ভব। এছাড়া চোখের বিভিন্ন্ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে থাকে।

৮.ক্যান্সারের প্রতিরোধকঃ
লেবুর শরবত অনেক গুণ সমৃদ্ধ যা ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে সাহায্য করে থাকে। বিশেষ করে স্তন ক্যানন্সারের ঝুকি হ্রাস করে।

৯.লিভার পরিষ্কার করেঃ
লেবুতে অবস্থিত সাইট্রিক এসিড যা কোলন, পিত্তথলি ও লিভর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের হতে সাহায্য করে।

১০. বলিরেখা দূর করতেঃ

বলিরেখার জন্য মুখে বয়সের ছাপ পড়ে।বলিরেখা গুলোতে লেবুর রস দিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন এভাবে ৭দিন করতে থাকলে মুখের বলিরেখা চলে যাবে।

১১. কনুই-হাঁটুর যত্নেঃ

কনুই-হাঁটুর কালো খসখসে অংশ জন্য আমরা  লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে পড়ি।কনুই-হাঁটুর কালো অংশ দূর করার জন্য লেবুর রসের সাথে একটু লবণ মিশিয়ে কনুই-হাঁটুর কালো-খসখসে অংশে ঘষে ধুয়ে ফেলতে হবে।এইভাবে এক সাপ্তাহ করলে খসখসে কালো অংশ দূর হয়ে যাবে।

আরও অনেক উপকারিতা আছে যা আমাদের নিত্যদিনের নানান সমস্যা সমাধান করে।সেই সমস্যা আর তার সমাধান নিয়ে আমরা আবার আসবো আপনাদের সামনে।আশা করি আমাদের সাথে থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *